ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে বাংলা বর্ষবরন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ও  বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন  কড়াই বরিশাল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রাম রিভার ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়ে সীরাতুন্নবী মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের  চারদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করা হয়েছে বগুড়া ৬ আসনের উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বিজয়ী ভূরুঙ্গামারীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি তেল সংকটে উত্তেজনা, পুলিশের উপর চড়াও হয়ে আটক ২ বাইকার, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে মুচলেকায় মুক্তি কুড়িগ্রামের উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পলেস্তারা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন বাবা মেয়ে কুড়িগ্রামে প্রশ্নফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে নয়ন মিয়ার নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত বুধবার (১১ জুন) রৌমারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা। শনিবার (৭ জুন) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ১০দিন অতিবাহিত হলেও সন্ধান মেলেনি ওই শিক্ষার্থীর।

অভিযুক্ত নয়ন মিয়া উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের শৌলমারী সবুজপাড়া গ্রামের জিয়ারুলের ছেলে।

প্রতিকার না পেয়ে সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়ে উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে ও একই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে অভিযুক্ত নয়ন মিয়াও। গত শনিবার (৭ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে সুতিপাড় এলাকার সেতুতে ওই অভিযুক্তের সঙ্গে তার মেয়েকে বসে থাকতে দেখেন তিনি। তাকে দেখামাত্র স্থানীয় একটি বসতবাড়িতে দু’জনই দৌড় দিয়ে পালায়। এ সময় ওই বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে কেউ আসেনি বলে অস্বীকার করেন মালিক। ওই দিন আর বাড়িতে ফেরেনি ওই শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা আরও বলেন, তিনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে যান অভিযুক্তের বাড়িতে। তারা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় স্বীকার করেন ও ওই শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে দেওয়া জন্য এক দিন সময় নেওয়া হয়। পরে তার শিক্ষার্থীকে ফেরৎ না দিয়ে টালবাহানা ও ওই শিক্ষার্থী সম্পর্কে কিছুই জানেন বলে সমস্ত ঘটনা অস্বীকার করছেন অভিযুক্তের পরিবারের লোকজন।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে অপহরণ করেছে নয়ন মিয়া। আমার মেয়েকে ফেরৎ চাই।

প্রত্যক্ষদর্শী মুকুল মিয়া, জয়নাল আবেদীন জানান, ঘটনার ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীকে দেখতে পান রৌমারী বাজার ভোলার মোড়ে। এরপর কোথায় যায় ওই শিক্ষার্থীরা আর বলতে পারেন না তারা।

অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে কথা হয় অভিযুক্তের বাবা জিয়ারুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার ছেলে অপহরণ করেনি। সে বাড়িতে আছে।

রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজের সঙ্গে কথা বলতে বলেন তিনি। উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজের বলেন, এ ঘটনায় প্রথমে অভিযোগ করে ও পরে মিসিং জিডি করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে বাংলা বর্ষবরন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ও  বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে নয়ন মিয়ার নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত বুধবার (১১ জুন) রৌমারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা। শনিবার (৭ জুন) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ১০দিন অতিবাহিত হলেও সন্ধান মেলেনি ওই শিক্ষার্থীর।

অভিযুক্ত নয়ন মিয়া উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের শৌলমারী সবুজপাড়া গ্রামের জিয়ারুলের ছেলে।

প্রতিকার না পেয়ে সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়ে উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে ও একই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে অভিযুক্ত নয়ন মিয়াও। গত শনিবার (৭ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে সুতিপাড় এলাকার সেতুতে ওই অভিযুক্তের সঙ্গে তার মেয়েকে বসে থাকতে দেখেন তিনি। তাকে দেখামাত্র স্থানীয় একটি বসতবাড়িতে দু’জনই দৌড় দিয়ে পালায়। এ সময় ওই বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে কেউ আসেনি বলে অস্বীকার করেন মালিক। ওই দিন আর বাড়িতে ফেরেনি ওই শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা আরও বলেন, তিনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে যান অভিযুক্তের বাড়িতে। তারা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় স্বীকার করেন ও ওই শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে দেওয়া জন্য এক দিন সময় নেওয়া হয়। পরে তার শিক্ষার্থীকে ফেরৎ না দিয়ে টালবাহানা ও ওই শিক্ষার্থী সম্পর্কে কিছুই জানেন বলে সমস্ত ঘটনা অস্বীকার করছেন অভিযুক্তের পরিবারের লোকজন।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে অপহরণ করেছে নয়ন মিয়া। আমার মেয়েকে ফেরৎ চাই।

প্রত্যক্ষদর্শী মুকুল মিয়া, জয়নাল আবেদীন জানান, ঘটনার ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীকে দেখতে পান রৌমারী বাজার ভোলার মোড়ে। এরপর কোথায় যায় ওই শিক্ষার্থীরা আর বলতে পারেন না তারা।

অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে কথা হয় অভিযুক্তের বাবা জিয়ারুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার ছেলে অপহরণ করেনি। সে বাড়িতে আছে।

রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজের সঙ্গে কথা বলতে বলেন তিনি। উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজের বলেন, এ ঘটনায় প্রথমে অভিযোগ করে ও পরে মিসিং জিডি করা হয়।