ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে বাংলা বর্ষবরন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ও  বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন  কড়াই বরিশাল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রাম রিভার ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়ে সীরাতুন্নবী মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের  চারদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করা হয়েছে বগুড়া ৬ আসনের উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বিজয়ী ভূরুঙ্গামারীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি তেল সংকটে উত্তেজনা, পুলিশের উপর চড়াও হয়ে আটক ২ বাইকার, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে মুচলেকায় মুক্তি কুড়িগ্রামের উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পলেস্তারা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন বাবা মেয়ে কুড়িগ্রামে প্রশ্নফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

সময় পেরিয়ে গেলেও কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দেননি  মাদ্রাসা  সুপার

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে নানান অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগে এক দাখিল মাদরাসার সুপারকে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকোজ) করা হয়েছে।  উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার সাইদুর রহমানকে এ নোটিশ দিয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তবে নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও নোটিশের জবাব দেননি অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসা সুপার।

সোমবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে নোটিশের নিদিষ্ট সময়েের মধ্যে জবাব না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম ফেরদৌস।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৬ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার সাইদুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়েছে, সুপার সাইদুর রহমান স্বজন প্রেীতির মাধ্যমে বাবা, মা, আপন ভাইকে মাদরাসার সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করে নিয়োগ বানিজ্যসহ অবৈধ সম্পদ গড়েছেন। এছাড়াও একই সময়ে দুইটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে অনৈতিকভাবে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা গ্রহন করেন তিনি। অন্যদিকে ওই মাদরাসায় ভাগিনা ও ভাতিজাকে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চাকুরী দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অফিস থেকে ইস্যু করা নোটিশে সাত কর্মদিবসের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়েছে। কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হলেও ৪ নভেম্বর (সোমবার) পর্যন্ত উক্ত নোটিশের কোন জবাব দেননি সুপার সাইদুর রহমান।

এদিকে এলাকাবাসী মাদ্রাসা সুপার সাইদুর রহমানের সীমাহীন দূর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে দুদক মহাপরিচালক বরাবরে একটি দরখাস্ত দিলে দুদক সেটা আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম ফেরদৌস বলেন, এখনো ওই সুপার নোটিশের জবাব দেননি। তবে একটি ম্যানেজিং কমিটি রয়েছে। সেই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে বাংলা বর্ষবরন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ও  বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

সময় পেরিয়ে গেলেও কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দেননি  মাদ্রাসা  সুপার

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে নানান অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগে এক দাখিল মাদরাসার সুপারকে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকোজ) করা হয়েছে।  উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার সাইদুর রহমানকে এ নোটিশ দিয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তবে নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও নোটিশের জবাব দেননি অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসা সুপার।

সোমবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে নোটিশের নিদিষ্ট সময়েের মধ্যে জবাব না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম ফেরদৌস।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৬ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার সাইদুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়েছে, সুপার সাইদুর রহমান স্বজন প্রেীতির মাধ্যমে বাবা, মা, আপন ভাইকে মাদরাসার সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করে নিয়োগ বানিজ্যসহ অবৈধ সম্পদ গড়েছেন। এছাড়াও একই সময়ে দুইটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে অনৈতিকভাবে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা গ্রহন করেন তিনি। অন্যদিকে ওই মাদরাসায় ভাগিনা ও ভাতিজাকে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চাকুরী দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অফিস থেকে ইস্যু করা নোটিশে সাত কর্মদিবসের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়েছে। কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হলেও ৪ নভেম্বর (সোমবার) পর্যন্ত উক্ত নোটিশের কোন জবাব দেননি সুপার সাইদুর রহমান।

এদিকে এলাকাবাসী মাদ্রাসা সুপার সাইদুর রহমানের সীমাহীন দূর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে দুদক মহাপরিচালক বরাবরে একটি দরখাস্ত দিলে দুদক সেটা আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম ফেরদৌস বলেন, এখনো ওই সুপার নোটিশের জবাব দেননি। তবে একটি ম্যানেজিং কমিটি রয়েছে। সেই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।