ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে বাংলা বর্ষবরন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ও  বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন  কড়াই বরিশাল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রাম রিভার ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়ে সীরাতুন্নবী মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের  চারদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করা হয়েছে বগুড়া ৬ আসনের উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বিজয়ী ভূরুঙ্গামারীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি তেল সংকটে উত্তেজনা, পুলিশের উপর চড়াও হয়ে আটক ২ বাইকার, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে মুচলেকায় মুক্তি কুড়িগ্রামের উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পলেস্তারা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন বাবা মেয়ে কুড়িগ্রামে প্রশ্নফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে যুব মহিলারা নকশিকাঁথা তৈরি করে স্বাবলম্বী

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে যুব মহিলারা নকশিকাঁথা তৈরি করে স্বাবলম্বী

সাইফুল ইসলাম, স্টাফ রিপের্টার,কুড়িগ্রামঃ

জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানার উদ্যোগে কুড়িগ্রামে প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের যুব মহিলারা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নকশিকাঁথা তৈরি করে স্বাবলম্বী হয়েছে।

চর সবুজ পাড়ায় গিয়ে জানা যায়,জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানা কুড়িগ্রামে যোগদানের পর নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ি ইউনিয়নের চর সবুজ পাড়ায় পরিদর্শনে আসে।তিনি পরিদর্শনে চরাঞ্চলের দুঃস্হ অবস্থা দেখে চর এলাকার পিছিয়ে পরা প্রায় অর্ধশত যুব মহিলাদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য হস্তশিল্প ও সেলাই প্রশিক্ষণ ব্যাবস্হাসহ সেলাই মেশিন বিতরণ করেন। এরপর মহিলারা প্রশিক্ষণ পেয়ে এখন নিজের হাতের তৈরিকৃত নকশিকাঁথা প্রতি পিচ ৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে সংসারে স্বচ্ছলতা এনেছে। তাদের সফলতা দেখে চরের অন্যান্য মহিলারাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। আজ তারা নিজে উপার্জন করে স্বাবলম্বী হয়েছে এবং অন্য নারীদেরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

চর সবুজ পাড়ার হস্তশিল্প প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আয়েশা খাতুন বলেন, আমার বয়স যখন ১৬ বছর তখনে বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পর শুধু শশুর বাড়িতে রান্না করছি, স্বামী ও ছেলেকে দেখা ছাড়া কোন কাজ ছিলনা। ডিসি স্যার প্রথম যখন সবুজ পাড়া খেলার ভিটা চরে আসে।তখন আমাদের দরিদ্রতা দেখে সেলাই ও নকশিকাঁথা প্রশিক্ষণের ব্যবস্হা করে এবং সেলাই মেশিন দেয়। সেই প্রশিক্ষণ পেয়ে এখন আমি নিজে নকশিকাঁথা তৈরি করে প্রত্যেকটি ৫ হাজার টাকা বিক্রি করছি।

একই চরের আসমা বেগম বলেন, আমি কোনদিন সেলাই করতে পারতাম না। ডিসি স্যার প্রশিক্ষণের ব্যবস্হা করার পর সেলাই মেশিন দেয়, সেই মেশিন দিয়ে সালোয়ার কামিজ তৈরির পাশাপাশি নকশিকাঁথা তৈরি করছি। আমি নকশিকাঁথা বিক্রি করে স্বাবলম্বী হয়েছি।সংসারে আর এখন তেমন অভাব নাই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে বাংলা বর্ষবরন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ও  বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে যুব মহিলারা নকশিকাঁথা তৈরি করে স্বাবলম্বী

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে যুব মহিলারা নকশিকাঁথা তৈরি করে স্বাবলম্বী

সাইফুল ইসলাম, স্টাফ রিপের্টার,কুড়িগ্রামঃ

জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানার উদ্যোগে কুড়িগ্রামে প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের যুব মহিলারা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নকশিকাঁথা তৈরি করে স্বাবলম্বী হয়েছে।

চর সবুজ পাড়ায় গিয়ে জানা যায়,জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানা কুড়িগ্রামে যোগদানের পর নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ি ইউনিয়নের চর সবুজ পাড়ায় পরিদর্শনে আসে।তিনি পরিদর্শনে চরাঞ্চলের দুঃস্হ অবস্থা দেখে চর এলাকার পিছিয়ে পরা প্রায় অর্ধশত যুব মহিলাদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য হস্তশিল্প ও সেলাই প্রশিক্ষণ ব্যাবস্হাসহ সেলাই মেশিন বিতরণ করেন। এরপর মহিলারা প্রশিক্ষণ পেয়ে এখন নিজের হাতের তৈরিকৃত নকশিকাঁথা প্রতি পিচ ৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে সংসারে স্বচ্ছলতা এনেছে। তাদের সফলতা দেখে চরের অন্যান্য মহিলারাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। আজ তারা নিজে উপার্জন করে স্বাবলম্বী হয়েছে এবং অন্য নারীদেরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

চর সবুজ পাড়ার হস্তশিল্প প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আয়েশা খাতুন বলেন, আমার বয়স যখন ১৬ বছর তখনে বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পর শুধু শশুর বাড়িতে রান্না করছি, স্বামী ও ছেলেকে দেখা ছাড়া কোন কাজ ছিলনা। ডিসি স্যার প্রথম যখন সবুজ পাড়া খেলার ভিটা চরে আসে।তখন আমাদের দরিদ্রতা দেখে সেলাই ও নকশিকাঁথা প্রশিক্ষণের ব্যবস্হা করে এবং সেলাই মেশিন দেয়। সেই প্রশিক্ষণ পেয়ে এখন আমি নিজে নকশিকাঁথা তৈরি করে প্রত্যেকটি ৫ হাজার টাকা বিক্রি করছি।

একই চরের আসমা বেগম বলেন, আমি কোনদিন সেলাই করতে পারতাম না। ডিসি স্যার প্রশিক্ষণের ব্যবস্হা করার পর সেলাই মেশিন দেয়, সেই মেশিন দিয়ে সালোয়ার কামিজ তৈরির পাশাপাশি নকশিকাঁথা তৈরি করছি। আমি নকশিকাঁথা বিক্রি করে স্বাবলম্বী হয়েছি।সংসারে আর এখন তেমন অভাব নাই।