ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে বাংলা বর্ষবরন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ও  বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন  কড়াই বরিশাল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রাম রিভার ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়ে সীরাতুন্নবী মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের  চারদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করা হয়েছে বগুড়া ৬ আসনের উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বিজয়ী ভূরুঙ্গামারীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি তেল সংকটে উত্তেজনা, পুলিশের উপর চড়াও হয়ে আটক ২ বাইকার, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে মুচলেকায় মুক্তি কুড়িগ্রামের উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পলেস্তারা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন বাবা মেয়ে কুড়িগ্রামে প্রশ্নফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আল বিদা পবিত্র মাহে রমজান

আল বিদা পবিত্র মাহে রমজান

গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির।

রহমত ,মাগফিরাত ও নাজাতের পয়গাম নিয়ে আসা মাহে রমজান বিদায়ের পথে। চলছে নাজাতের দশকের শেষ দিনগুলো। রাসূল সা. পুরো রমজান মাসকেই খুব গুরুত্ব দিতেন। এ দশকের কোনো এক বেজোড় রাতে রয়েছে লাইলাতুল ক্বদর যা গত ২৬ রমজান দিন গতি রাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পালিত হয়েছে।

আল্লাহর রাসূল সা. শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। তাই প্রত্যেক মুসলমানের জন্য রমজানের শেষ দশক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রমজানের শেষ দশকের গুরুত্ব নিয়ে প্রসিদ্ধ একটি হাদিস রয়েছে। যা বুখারী, মুসলিম, তিরমিজী, আবু দাউদ, নাসাঈ প্রত্যেকটি হাদিস সংকলনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ নিয়ে ইমাম বুখারী র. তার বুখারী শরীফের ১৮৮২ নম্বর হাদিসে হযরত আয়েশা রা. থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ রমজানের শেষ দশক শুরু হলেই রাসূল সা. তাঁর কোমর শক্ত করে বেঁধে নিতেন। এই সময়ের রাতগুলো জেগে থাকতেন এবং তাঁর ঘরের লোকদের সজাগ করতেন’।
কাজেই আল্লাহর নবী সা. রমজানের শেষ দশ দিনকে যে কতো গুরুত্ব দিতেন তা আমাদের কাছে একেবারে পরিষ্কার। এ দশকে নাজিল হয়েছিল মানবতার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো সর্বশেষ হেদায়েতের মহাগ্রন্থ আল কোরআন। আর যে রাতে তা নাজিল হয়েছিল সে রাতকে ক্বদরের রাত বলা হয়। ক্বদরের রাত
হচ্ছে এ দশকের কোনো এক বেজোড় রাত। তবে, কোন রাত তা স্পষ্ট করা হয়নি। ক্বদরের রাতের মর্যাদা হলো এটি হচ্ছে হাজার মাসের চেয়ে সেরা রাত। কোরআনের কারণেই ক্বদরের রাতের এতো মর্যাদা। কোরআন হচ্ছে নবী কারীম সা. এর সবচেয়ে বড়ো মুজিজা। কোরআন দিয়েই তিনি পুরো অন্ধকারে নিমজ্জিত একটি জাতিকে আলোর দিকে নিয়ে এসেছিলেন। তাই আমাদের উচিত এ দশক কে আল্লাহর ইবাদাতের জন্য গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করা। বিশেষ করে বেশি বেশি করে কোরআনের চর্চা করা। এ দশকে আল্লাহর নবী সা. সবচেয়ে বেশি আল্লাহর ইবাদাত করতেন। হযরত আয়েশা রা. বলেছেন, ‘রমজানের শেষ দশকে রাসূল সা. এতো কষ্ট স্বীকার করতেন, যা অন্য সময় করতেন না। সুতরাং রমজানের শেষ দশক গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলেই নবী সা. এ দশককে এতো গুরুত্ব দিতেন। তাই ,আমাদেরকেও এ দশকে গুরুত্ব দিয়ে ইবাদত-বন্দেগী বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমিন।।

 

লেখক: গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির, ধর্ম ও সমাজ বিশ্লেষক, সাংবাদিক,ধর্মীয় ভাবুক, চেয়ারম্যান- গাউছিয়া ইসলামিক মিশন, কুমিল্লা ও শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে বাংলা বর্ষবরন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ও  বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

আল বিদা পবিত্র মাহে রমজান

আপডেট সময় : ১২:৩৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

আল বিদা পবিত্র মাহে রমজান

গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির।

রহমত ,মাগফিরাত ও নাজাতের পয়গাম নিয়ে আসা মাহে রমজান বিদায়ের পথে। চলছে নাজাতের দশকের শেষ দিনগুলো। রাসূল সা. পুরো রমজান মাসকেই খুব গুরুত্ব দিতেন। এ দশকের কোনো এক বেজোড় রাতে রয়েছে লাইলাতুল ক্বদর যা গত ২৬ রমজান দিন গতি রাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পালিত হয়েছে।

আল্লাহর রাসূল সা. শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। তাই প্রত্যেক মুসলমানের জন্য রমজানের শেষ দশক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রমজানের শেষ দশকের গুরুত্ব নিয়ে প্রসিদ্ধ একটি হাদিস রয়েছে। যা বুখারী, মুসলিম, তিরমিজী, আবু দাউদ, নাসাঈ প্রত্যেকটি হাদিস সংকলনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ নিয়ে ইমাম বুখারী র. তার বুখারী শরীফের ১৮৮২ নম্বর হাদিসে হযরত আয়েশা রা. থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ রমজানের শেষ দশক শুরু হলেই রাসূল সা. তাঁর কোমর শক্ত করে বেঁধে নিতেন। এই সময়ের রাতগুলো জেগে থাকতেন এবং তাঁর ঘরের লোকদের সজাগ করতেন’।
কাজেই আল্লাহর নবী সা. রমজানের শেষ দশ দিনকে যে কতো গুরুত্ব দিতেন তা আমাদের কাছে একেবারে পরিষ্কার। এ দশকে নাজিল হয়েছিল মানবতার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো সর্বশেষ হেদায়েতের মহাগ্রন্থ আল কোরআন। আর যে রাতে তা নাজিল হয়েছিল সে রাতকে ক্বদরের রাত বলা হয়। ক্বদরের রাত
হচ্ছে এ দশকের কোনো এক বেজোড় রাত। তবে, কোন রাত তা স্পষ্ট করা হয়নি। ক্বদরের রাতের মর্যাদা হলো এটি হচ্ছে হাজার মাসের চেয়ে সেরা রাত। কোরআনের কারণেই ক্বদরের রাতের এতো মর্যাদা। কোরআন হচ্ছে নবী কারীম সা. এর সবচেয়ে বড়ো মুজিজা। কোরআন দিয়েই তিনি পুরো অন্ধকারে নিমজ্জিত একটি জাতিকে আলোর দিকে নিয়ে এসেছিলেন। তাই আমাদের উচিত এ দশক কে আল্লাহর ইবাদাতের জন্য গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করা। বিশেষ করে বেশি বেশি করে কোরআনের চর্চা করা। এ দশকে আল্লাহর নবী সা. সবচেয়ে বেশি আল্লাহর ইবাদাত করতেন। হযরত আয়েশা রা. বলেছেন, ‘রমজানের শেষ দশকে রাসূল সা. এতো কষ্ট স্বীকার করতেন, যা অন্য সময় করতেন না। সুতরাং রমজানের শেষ দশক গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলেই নবী সা. এ দশককে এতো গুরুত্ব দিতেন। তাই ,আমাদেরকেও এ দশকে গুরুত্ব দিয়ে ইবাদত-বন্দেগী বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমিন।।

 

লেখক: গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির, ধর্ম ও সমাজ বিশ্লেষক, সাংবাদিক,ধর্মীয় ভাবুক, চেয়ারম্যান- গাউছিয়া ইসলামিক মিশন, কুমিল্লা ও শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।